Social Icons

Sunday, 8 November 2015

SEO Tutorial Bangla : Part 2



এসইও টাইটেল ট্যাগ(SEO Title Tag Tutorial Bangla) :
টাইটেল ট্যাগ SEO এর কাজে অপরিহার্য ।এটা খুবই গুরত্বপূর্ন একটা ওয়েব পেজের জন্য। ইউজার এবং Search Engine উভয়কে এটা বলে দেয় যে পেজের মধ্যে কি আছে অর্থ্যা একটা টাইটেল একটা পেজের সরাংশ থাকে। আপনার পেজের টাইটেল হতে হবে এমন যাতে এটা আপনার সাইটের আর অন্য কোন পেজের টাইটেলের সাথে মিলে না যায় ।
অর্থ্যাTitle Tag হতে হবে unique এবং নির্ভূল। সার্চ রেজাল্ট যখন আমরা ব্রাউজারে দেখি তখন পেজ টাইটেল সবার আগে প্রথম লাইনে থাকে। যেমন ইউজার যে কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করবে সেই কিওয়ার্ডটি যদি সার্চ রেজাল্টে বোল্ড করে দেখায় তাও আবার পুরো পেজ টাইটেলটি তাহলে আপনার সাইটের ট্রাফিক বহুগুন বেড়ে যাবে। পেজ টাইটেল সবসময় এমন দিবেন যেটার সাথে পেজের কনটেন্টের খুব মিল আছে। খুব বড় টাইটেল দেয়া উচি নয় এতে অনেক অপ্রয়োজনীয় শব্দ টাইটেলে চলে আসে আর খুব বড় টাইটেল হলে গুগল এর সম্পূর্ন নয় বরং কিছু অংশ দেখায়। সবচেয়ে ভাল আপনার পেজ টাইটেল হবে ছোট প্রাসঙ্গিক এবং তথ্যবহুল।

এসইও মেটা ট্যাগ (SEO Meta Tag Tutorial Bangla):
মেটা ট্যাগ মুলত Search Engine কে ধারণা প্রদান করে ।  মেটা (<meta>) ট্যাগ এর “description” এ পেজে কি আছে তা সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখুন। এটা Google এবং অন্নান্য সকল Search Engine একটা ধারনা দেয় যে এই পেজে কি content আছে। এই বর্ননা ২/৩ লাইনের দিতে পারেন। মেটা বর্ননাকে গুগল আপনার ওই পেজটার কনটেন্টের সরাংশ হিসেবে ধরতে পারে। ধরতে পারে এজন্য বলা হয়েছে কারন ইউজার যে কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করবে সেটার সাথে যদি সরাসরি পেজ কনটেন্টের কোন অংশের সাথে বেশি মিলে যায় তাহলে সেই অংশ গুগল সার্চ রেজাল্টে দেখাতে পারে।

বাংলাদেশ

-->সরকারি নাম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
(Peoples Republic of Bangladesh)।
-->সরকার পদ্ধতি- সংসদীয় গণতন্ত্র/সরকার।
-->সংসদ- এককক্ষ বিশিষ্ট।
->আয়তন- ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
->জনসংখ্যা- ১৬,১০,৮৩,৮০৪ (২০১২)
১৪,২৩,১৯,০০০ (প্রাথমিক জনসংখ্যা
রিপোর্ট)
১৫,৭৯,০০,০০০ (অর্থনৈতিক সমীক্ষা
২০১১)
->রাজধানী- ঢাকা।
->মুদ্রা- টাকা।
->মোট সীমা- ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
->গড় আয়ু- ৬০(৬০.২৫) বছর (৬৭.২ বছর;
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১)
স্বাক্ষরতার হার- ৫৬.৭% (অর্থনৈতিক
সমীক্ষা ২০১১)
->মাথাপিছু আয়- ৮১৮ মার্কিন ডলার
(অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১)।
->স্থানীয় সময়- গ্রিনিচ সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা
আগে (গ্রিনিচ +৬)।
->ধর্ম- মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান,অন্যান্য।
->বিভাগ- ৭টি (সর্বশেষ বিভাগ- রংপুর)।
->জেলা- ৬৪টি।
->উপজেলা- ৪৮৩টি (সর্বশেষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
মির্জাপুর, বর্তমান নাম বিজয়নগর)
★৪৮৪ তম উপজেলা কুমিল্লার ভাঙ্গুরা।
->থানা- ৬০৩টি।
->ইউনিয়ন- ৪৪৮৫টি।
->গ্রাম- ৮৭৩১৯টি।
->সিটি কর্পোরেশন- ৮টি (সর্বশেষ-
নারায়ণগঞ্জ-৭ম; কুমিল্লা-৮ম)।
**বাংলাদেশের চারপাশের  ঘিরে আছে __
->উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও
মেঘালয় প্রদেশ।
->পূর্বে- ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও
মিজোরাম প্রদেশ ও মায়ানমার।
->পশ্চিমে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
->দক্ষিণে- বঙ্গোপসাগর।
->সীমান্ত আছে- ২টি দেশের সঙ্গে (ভারত ও
মায়ানমার)।
->বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতের মোট রাজ্য- ৫টি।
->বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থিত নয়- মণিপুর
রাজ্য (টিপাইমুখ বাঁধ)।
->বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি
->ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
->ভারত ও মায়ানমার দু’টি দেশের সঙ্গেই
সীমান্ত আছে- রাঙামাটি জেলার।
->মোট সীমান্ত- ৫১৩৮ কিমি (অথবা ৪৭১৯
কিমি)।
->মোট স্থলসীমা- ৪৪২৭ কিমি।
->ভারতের সাথে সীমান্ত- ৪১৪৪ কিমি (অথবা
৩৭১৫ কিমি)।
->মায়ানমারের সাথে সীমান্ত- ২৮৩ কিমি।
->সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য- ৭১১ কিমি।
->কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য- ১৫৫
কিমি (পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত)।
->অর্থনৈতিক সমুদ্র সীমা- ২০০ নটিক্যাল মাইল।
->রাজনৈতিক সমুদ্র সীমা- ১২ নটিক্যাল মাইল।
->সীমান্ত থেকে ফারাক্কা বাঁধের দূরত্ব- ১৬.৫ কিমি/১১ মাইল।
->স্বাধীনতার ৩০ বছর পর বিডিআর (বর্তমান
বিজিবি) বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার
করে- সিলেটের পাদুয়া।
->বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত
হয়- ১৬ মে, ১৯৭৪ (শেখ মুজিব ও ইন্দিরা
গান্ধী)।
->সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড় (থানা-
তেঁতুলিয়া)।
->সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার (থানা-
টেকনাফ)।
->সর্ব পশ্চিমের জেলা- চাঁপাই নবাবগঞ্জ
(থানা- শিবগঞ্জ)।
->সর্ব পূর্বের জেলা- বান্দরবান (থানা- থানচি)।
->সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড় (থানা-তেঁতুলিয়া)।
->সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার (থানা টেকনাফ)।
->সর্ব পশ্চিমের জেলা- চাঁপাই নবাবগঞ্জ (থানা- শিবগঞ্জ)।
->সর্ব পূর্বের জেলা- বান্দরবান (থানা-থানচি)।
->সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেঁড়া দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ)।
->আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙামাটি।
->আয়তনে সবচেয়ে ছোট জেলা- মেহেরপুর।
->জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় জেলা- ঢাকা।
->জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট জেলা- বান্দরবান।
->বৃহত্তম পাহাড়- গারো পাহাড় (ময়মনসিংহ
জেলায়)।
->উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ- তাজিনডং বা বিজয়
(বান্দরবান জেলায়)।
->বাংলাদেশের পাহাড়গুলো গঠিত- টারশিয়ারি যুগে।
->বাংলাদেশের উপর দিয়ে গেছে- কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)
->সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড- বঙ্গোপসাগরে জাতীয় বিষয়াবলী।
->জাতীয় প্রতীক- উভয় পাশে ধানের শীষ
বেষ্টিত পানিতে ভাসমান শাপলা; শাপলা
ফুলের মাথায় পাটগাছের পরস্পর সংযুক্ত
তিনটি পাতা; পাতার দুই পাশে দুটি করে
তারকা বা তারা।
->জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
->জাতীয় পাখি- দোয়েল।
->জাতীয় ফুল- শাপলা।
->জাতীয় ফল- কাঁঠাল।
->জাতীয় পশু- রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
->জাতীয় মাছ- ইলিশ।
->জাতীয় বন- সুন্দরবন।
->জাতীয় গাছ- আমগাছ।
->জাতীয় মসজিদ- বায়তুল মোকাররম (১৯৮২
সালে ঘোষণা করা হয়)।
->জাতীয় গ্রন্থাগার- গুলিস্তানে।
->জাতীয় যাদুঘর- শাহবাগে।
->জাতীয় উদ্যান- সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
->জাতীয় বিমানবন্দর- শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (পুরাতন নাম-
জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)।
->জাতীয় খেলা- কাবাডি (হা-ডুডু)।
->জাতীয় কবি- কাজী নজরুল ইসলাম।
->জাতীয় শিশু পার্ক- শাহবাগ শিশু পার্ক।
->জাতীয় উৎসব- বাংলা নববর্ষ/বাংলা বর্ষবরণ।
->জাতীয় দিবস- ২৬ মার্চ (১৯৮০ সালে ঘোষণা
করা হয়)।
->রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম- লালবৃত্তের মাঝে হলুদ
মানচিত্র; তার উপরে গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ এবং নিচে সরকার; উভয় পাশে
২টি করে মোট ৪টি তারা রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার- এ. এন. এ. সাহা।
->জাতীয় সঙ্গীত- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের প্রথম ১০ চরণ।
->গীতিকার ও সুরকার- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়া/বাজানো হয়- প্রথম ৪ চরণ।
★সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়- বঙ্গদর্শন পত্রিকায়
স্বরবিতান কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
★জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়- ৩
মার্চ, ১৯৭১।
->বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গীত
★রণ সঙ্গীত- ‘চল চল চল’ গানের প্রথম ২১ চরণ
★গীতিকার ও সুরকার- কাজী নজরুল ইসলাম।
★রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়া/বাজানো হয়-
প্রথম ২১ চরণ
★প্রথম প্রকাশিত হয়- শিখা পত্রিকায় ‘নতুনের গান’ নামে সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
->জাতীয় পতাকা
★ডিজাইন- গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত।
★ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
★মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের প্রথম পতাকার
ডিজাইনার- শিব নারায়ণ দাশ।
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত- ১০:৬ বা ৫:৩ লাল বৃত্তের মাপ- পতাকার ৫ ভাগের ১ ভাগ (১/৫ অংশ)
★পতাকা দিবস- ২ মার্চ।
★প্রথম উত্তোলন করেন- আ স ম আব্দুর রব (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায়)।
★বিদেশে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন- ভারতের কলকাতায়, বাংলাদেশ মিশনে।
★বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঙ্গে মিল
আছে- জাপানের পতাকার।
->প্রথম বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকেন- মেজর
জেমস রেনেল (বাংলার তথা ভারতবর্ষের
প্রথম সার্ভেয়ার)।--(তথ্যসূত্র: Wikipedia)

SEO Tutorial Bangla : Part 1

Introduction(ভূমিকা):
SEO এর কাজ করতে হলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে যে, “এসইও আসলে কি?মূলত Search Engine Optimization কে আমরা সংক্ষেপে SEO  বলা হয়ে থাকে Search Engine Optimization এমন একটি  সিস্টেম যা ব্যবহােরর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটেক সকলের কাছে পৌঁছে দেয় একদম বিনা মূল্লে ।
SEO করার মূল উদ্দেশ্য হল-
à ওয়েবসাইটেক সকলের কাছে পৌঁছে দেয় ।
à ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা বাড়ানো ।
à ওয়েবসাইটে ট্রািফক/িভিজটর বাড়ানো ।
à অনলাইনে আয় করার উপযুক্ত করে গোড়ে তোলা ।
à ওয়েবসাইটেক মার্কেটে শক্তি শালীভাবে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা ।


এসইও কি? What is Search Engine Optimization(SEO)?
Search Engine Optimization এমন একটি  সিস্টেম যা ব্যবহােরর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটেক সকলের কাছে পৌঁছে দেয় একদম বিনা মূল্লে । পূথিবীতে অনেক Search Engine আছে যেমন Google,Yahoo,Bing,Msn ইত্যাদি। এদের মধ্যে সবচেয়ে Famous হল Google। ধরুন  কেউ যদি বাংলায় SEO শিখতে চায় তাহলে হয়ত সে “SEO in Bangla Tutorialলিখে গুগলে সার্চ দেবে কারন সে হয়ত বাংলায় SEO Tutorial আছে এমন কোন ওয়েবসাইটরে ঠিকানা জানেনা। এখন ধরুন আপনার একটা ওয়েবসাইট আছে যেখানে বাংলায় এসইও টিউটোরিয়াল আছে।এখন যদি “How to know SEO Tutorial in Banglaলিখে গুগলে Search দিলে গুগলের প্রথম পেজে আরও ভাল হবে যদি প্রথম পেজের প্রথম লিংকটাই আপনার সাইটের হয় তাহলে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে ঐ ইউজার যে “এসইও টিউটোরিয়াল” দিয়ে খুজছিল সে অবশ্যই আপনার সাইটে যাবেই।এই যে একজনের সাইট গুগলে সবার আগে দেখাল অথচ বাংলায় SEO Tutorial আছে এমন বহু Site ,Blog, Forum ইত্যাদি থাকার পরেও, যে সাইট আগে দেখালো সে সাইটে কিছু কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল এসব কৌশলকে বলা হয় Search engine optimization(SEO).

à এসইও-এর প্রকারভেদ (Types of SEO):
কাজের উপর ভিত্তি করে SEO কে দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে

১। অন পেজ(On Page): যে কাজগুলো  ওয়েবসাইটের ভিতরেই করা হয়ে থাকে । যেমন- Title Tag, Content, Keword ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক হওয়া ।
 

২। অফ পেজ(Off Page): যে কাজগুলো  ওয়েবসাইটের বাইরে করা হয়ে থাকে। যেমন- Forum posting,Blo, McqAcademy সাইটে আগে On Page SEO টিউটোরিয়াল থাকবে এবং এরপর Off Page SEO যেখানে শুধু Organic Search Engine Optimization (Organic SEO) এর টিউটোরিয়াল থাকবে,  Paid Search Engine Optimizatio (Paid SEO) নয়।

à পেইএসইও(Paid Search Engine Optimization):
গুগলে সার্চ দিলে মাঝে মাঝে দেখবেন সার্চ রেজাল্টের ডানে বা উপরে ভিন্ন রং (সাধারনত হালকা খয়েরি) কিছু লিংক থাকে (যে শব্দ দিয়ে সার্চ দিয়েছেন সেটা সংশ্লিষ্ট)। এগুলি পেইড লিংক অর্থ্যা এরজন্য জন্য গুগলকে অর্থ দিতে হয়েছে।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে পেইড এসইও (Paid SEO) বলে।

à অর্গানিক এসিও(Organic Search Engine Optimization):
যে লিংকগুলি Serch Result পেজে সাধারনভাবে প্রদর্শিত হয় মানে Google এগুলি কোন বিশেষ Colour দিয়ে হাইলাইট করেনা এগুলি Organic link.এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে Organic SEO. এটাকে এলগরিদমিক SEO ও বলে।

Tuesday, 3 November 2015

সে যে বসে আছে ।।

                                           "সে যে বসে আছে"
                                       ----------------------------
    ১।সন্ধ্যারাতের ফার্মগেট আমার কাছে চিরকালই অদ্ভুত লাগে। অদ্ভুত এর পর আর
কোন শব্দ হবে না, শুধু অদ্ভুত। চার-পাঁচতলা উপর থেকে তাকালে মনেহয়
রঙবাহারি ছোট ছোট অজস্র ঝাড়বাতি, তারা মানুষের মত ছুটছে। ওভারব্রীজের উপর
মেইনরোডের জ্যাম উঠে এসেছে। জ্যামের প্রধান কারণ একগাদা স্বস্তাদরের
দোকান, ক্রেতা যা তারচেয়ে দর্শক বেশি এবং কোণায়-কাণায় পতিতাদের জটলা।
পুরুষরা তাদের বুকের উপর তীক্ষ্ম দৃষ্টি দিতে দিতে একজনের পায়ে আরেকজন
ধাক্কা খাচ্ছে। নতুন কিছু নয়। সম্ভবত চীনের কোন ব্যস্ত ওভারব্রীজেও এত
জনজট লাগে না। আমার মিরপুর-১ যেতে হবে, গন্তব্য বন্ধু সাকিবের মেস। একটা
শুভ কাজে যাচ্ছি, টাকা ধার নিতে। বছরখানেক বেকার জীবনে আমার কাছে শুভ কাজ
এটাই। টাকা ধার নেয়া ছাড়াও আরেকটা বিশেষ কারণ আছে অবশ্য। শুভ কাজে দেরি
করতে নাই, কিন্তু বুঝতে পারছি আজ ভয়াবহ দেরি হবে।
 
Blogger Templates